NEW BLOGGER 2019
Monday, August 19, 2019
Monday, August 12, 2019
জ্ঞানের তিনটি স্তর
যে প্রথম স্তরে প্রবেশ
করবে, সে অহংকারী হয়ে উঠবে এবং এটাই খুব স্বাভাবিক। যেন সব কিছুই
সে জেনে ফেলেছে।
দ্বিতীয় স্তরে প্রবেশ করার
পর সে বিনয়ী হবে,
আর তৃতীয় স্তরে প্রবেশ
করার পর সে নিজের অজ্ঞতা উপলদ্ধি করতে পারবে।
খালি কলসি বাজে বেশী, ভরা কলসি বাজে না!
প্রবাদটির সাথে আমরা কমবেশী সকলেই পরিচিত। সত্যিই ব্যাপারটি কি এমন কিছু?
জ্ঞানের
তিনটি সাধারন স্তরে মানুষ ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করে।
প্রাথমিক স্তরে প্রবেশের পর মানুষ
অহংকারী হয়ে ওঠে এবং ভাবতে শুরু করে সে অনেক কিছু জেনে ফেলেছে। মহাজ্ঞানীর মত আচরণ
শুরু করে। সবাইকে জ্ঞান দেওয়া শুরু করে।
দ্বিতীয় স্তরে প্রবেশের পর থেকে মানুষ বিনয়ী ভাব প্রকাশ করে। এবং তার জানার
আগ্রহও বাড়তে শুরু করে। সে সময়টাতে এসে পূর্বের চেয়ে সব কিছুর প্রতি অধিক মনযোগী
হয়ে ওঠে।
তৃতীয় স্তরে প্রবেশের পর তার অতীত ভুলগুলো সে উপলব্ধি করতে পারে। এবার
অনেক কিছু জানার পরও তার মনে হয় সে কিছুই জানে না। কিছুই শিখতে পারে নি। এখনও বহু
বাকি শেখার। সে আসলে অথই সমুদ্রে মুক্তা খোজার বৃথা চেষ্টাই করছি।
এবার আসি বাস্তবতায়। বর্তমান সময়ের উঠতি বয়সের কিছু ছেলেমেয়েদের দেখা মিলে
যারা ইন্টারনেটের কল্যানে সারাদিন ফেসবুকিং ও গেমিং করে দিন রাত পার করে দিচ্ছে।
যদি জিজ্ঞাসা করেন হারিকেন এর জ্বালানী কি?
নিশ্চিত আপনার মুখের দিকে
হা হয়ে তাকিয়ে থাকবে। হারিকেন এর নাম শুনেছে কিনা সন্দেহ! এর আবার জ্বালানীও লাগে
নাকি! চাকা আছে নাকি পাখা আছে? আকাশে উড়ে নাকি পানিতে চলে? রাস্তায়
চললে তো দেখতাম ভাই! অবস্থাটা এমন হলেও অবাক হবেন না! কারন তারাই আপনাকে একটু পর
দেশ বিদেশের সাম্প্রতিক বুলেটিন জানাতে শুরু করবে।
ট্রাম্প চ্চাচুর বেইলী রোডের রেষ্টুরেন্টটা খুব জনপ্রিয় এখন! ফুড টেষ্ট তো দশে
দশ! জানেন ভাই ফেসবুকে ওমুক সেলিব্রেটির দিন এখন! ওমুক এবারের মিস ওয়াল্ড কনফর্ম।
ওমুক মোটিভেশনাল স্পিকার ভাল বকে। আমার তো তার কথাগুলো সেই লাগে। বলেই ভাই একটু!
মেসেঞ্জোরে মনযোগ! ও এই ঘন্টায় তো সেলফীর সাথে ষ্টাটাস দিতে লেট হয়ে গেল।
ক্যামেরাটা সামনে নিয়ে ভাই ভাই এদিকে। মোবাইল মুখ দু্ইটা বাকাইয়া চক্ষু আকাশে
তুইল্লা এক টিপ!
স্টাটাস- আমি আর ভাই গুরি।
হ্যাসট্যাগ- ভবিষ্যতে মানুষ টেলবেট খাইয়া বাচোব।
কেতে আর ভাত চাস করতে হবে না।
তার টাইমলাইনে বাংলা বানানের দুরাবস্থা দেখে ভাই ফিট পড়ে যেতে পারে! এমন কি
আক্কেল দাঁতে দাঁত লেগে খিচুনীও উঠতে পারে!
ভাল জিপিএ, সিজিপিএ অর্জন করা
ছেলে-মেয়েদের একমাত্র লক্ষ। বাবা-মায়েরাও সেটাতে সন্তুষ্ট। ছেলে মেয়ে ভালো রেজাল্ট
করছে। খারাপ কি?! পড়াশুনা করে মস্ত বড় গাধা
হচ্ছে সেটার দিকে নজর দেয়ার কে আছে?!
পড়াশুনা শেষে বাবা-মায়ের
সোনার ছেলের চাকরী জোটে না। হাতাশায় বিপন্ন জীবন! দেশে চাকুরী নাই কিংবা মামার
সাথে মামুর জোড় না থাকলে চাকুরী হয় না জাতীয় স্টাটাস!
কজন বাবা-মা আছেন ছেলে মেয়েকে ক্লাশের বইয়ের বাইরে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার
সুযোগ করে দিয়েছেন? তা না পারলেও অবশ্য
ফ্রেবুয়ারীর বই মেলায় গিয়ে বই হাতে কয়েকটা সেলফী তো তুলতেই হবে! মেলায় কেনা বইগুলো
ব্যাগে ঝুলিয়ে ঘরে এনে বইয়ের ধুলা ঝেড়ে দেখার সুযোগ না হলেও পুরানো পেপারের সাথে
গন্তব্যে পৌঁছে কারও আহারের আয় তো বাড়াচ্ছে!
প্রাথমিক স্তরের জ্ঞান দিয়ে যারা চাকুরীর সুযোগ করছেন তারা কর্মক্ষেত্রে
উন্নতি করতে না পেরে আজ এক প্রতিষ্ঠান তো কাল আরেক প্রতিষ্ঠান। আর যারা পাইপ লাইনে
চাকুরীর অপেক্ষায় দিন গুনছেন তারা নিজের দক্ষতা বলতে সার্টিফিকেট গুছিয়ে চলেছেন
বছর বছর। প্রতিষ্ঠান আপনার সার্টিফিকেট দিয়ে প্রাথমিক মূল্যয়ন করলেও পরবর্তী
মূল্যায়ন করে কাজের মাধ্যমে। আপনার দক্ষতা অনুযায়ী আপনার কাজের স্তরে পৌঁছে দেয়
প্রতিষ্ঠান।
দ্বিতীয় স্তরে মানুষগুলোকে পাবেন খুব বিনয়ী স্বভাবে। কোথা থেকে কিভাবে কি শেখা
যায়, কিভাবে নিজের দক্ষতা বাড়ানো যায় সে চেষ্টায় ব্যস্ত। এরা
পরিবার থেকে প্রতিষ্ঠান ছোট-বড় সকলের সাথে বিনয়ী ভাবে বিচরন করে। প্রতিটা ঘটনার
চুলচেরা বিশ্লেষন করে। ঘটনার অন্তরালের ঘটনা ঘেটেও শেখার চেষ্টা অব্যাহত রাখে।
তৃতীয় স্তরের ব্যাক্তিগুলো যতই জানুক না কেন তারা নিজেকে খুব ছোট ভাবে
উপস্থাপন করে। সত্যিকার অর্থে এই মানুষগুলো জ্ঞানের মহাসমুদ্র থেকে বিন্দু পরিমানও
শিখতে পারছে বলে ধারণা করে না। কারন তারা খুব ভাল ভাবেই অনুধাবন করতে পারে শেখার
কোন শেষ নেই। সর্বশেষ স্তরের এই মানুষগুলোর থেকেই সবচেয়ে বেশী শিক্ষা আপনি পেতে
পারেন। যদিও এই মানুষগুলো সাধারনের থেকে একটু কমই কথা বলে। তবে যতটুকু বলে তা কাজে
লাগার মত কথা বলে। এই শ্রেনীর মানুষের একটা উপদেশ আপনার সারা জীবনের সম্পদ হতে
পারে। যা আপনার সমস্ত জীবনকে বদলে দিতে পারে।
লেখক: মাসুদুর রহমান (মাসুদ)
Sunday, August 11, 2019
অন্তর মরে যাওয়ার দশ কারণ ।
অন্তর মরে যাওয়ার দশ কারণ ।
ইবরাহীম বিন আদহাম (মৃত্যু ১৬২ হিজরী) বসরার বাজার দিয়ে যাওয়ার পথে লোকজন তাকে ঘিরে ধরল। তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করল, হে আবু ইসহাক, আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা দুয়া করি কিন্তু দুয়া কবুল হয় না ?
তিনি বললেন, কারণ, তোমাদের অন্তরগুলো মরে গেছে দশটি কারণে।
সেগুলো হল:
প্রথম: তোমরা আল্লাহর পরিচয় পেয়েছ কিন্তু তাঁর হক আদায় করো নি।
দ্বিতীয়: তোমরা বলে থাক যে, তোমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে ভালবাসো কিন্তু তার সুন্নত ও আদর্শকে পরিত্যাগ করেছ।
তৃতীয়: তোমরা কুরআন পাঠ করেছ কিন্তু তদনুযায়ী আমল করো নি।
চতুর্থ: তোমরা আল্লাহর নিয়ামত খেয়েছ কিন্তু তার শুকরিয়া আদায় করো নি।
পঞ্চম: তোমরা বলেছ যে, শয়তান তোমাদের দুশমন কিন্তু তাকে সমর্থন করেছো।
ষষ্ঠ: তোমরা স্বীকৃতি দিয়েছো যে, জান্নাত সত্য কিন্তু তার জন্য আমল করো নি।
সপ্তম: তোমরা স্বীকৃতি দিয়েছ যে, জাহান্নাম সত্য কিন্তু তা থেকে পলায়ন করো নি।
অষ্টম: তোমরা স্বীকার করেছ যে, মৃত্যু অবধারিত সত্য। কিন্তু তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করো নি।
নবম: ঘুম থেকে জেগেই তোমরা অন্যের দোষ-ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছ কিন্তু নিজেদের দোষের কথা ভুলে গেছো।
দশম: তোমরা তোমাদের মৃতদের দাফন করেছো কিন্তু তাদের থেকে শিক্ষা নাও নি।
(হিলয়াতুল আওলিয়া ১৫/৮-১৬, তাফসীর কুরতুবী ২/২০৮)
হে আমাদের প্রতিপালক, করুণার আধার, তুমি আমাদেরকে তোমার মহান দরবারে প্রত্যাখ্যান করো না। আমাদের দুয়া কবুল করো এবং আমাদের ভুল-ত্রুটি মার্জনা করো। আমীন।
ইবরাহীম বিন আদহাম (মৃত্যু ১৬২ হিজরী) বসরার বাজার দিয়ে যাওয়ার পথে লোকজন তাকে ঘিরে ধরল। তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করল, হে আবু ইসহাক, আমাদের কী হয়েছে যে, আমরা দুয়া করি কিন্তু দুয়া কবুল হয় না ?
তিনি বললেন, কারণ, তোমাদের অন্তরগুলো মরে গেছে দশটি কারণে।
সেগুলো হল:
প্রথম: তোমরা আল্লাহর পরিচয় পেয়েছ কিন্তু তাঁর হক আদায় করো নি।
দ্বিতীয়: তোমরা বলে থাক যে, তোমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস সাল্লামকে ভালবাসো কিন্তু তার সুন্নত ও আদর্শকে পরিত্যাগ করেছ।
তৃতীয়: তোমরা কুরআন পাঠ করেছ কিন্তু তদনুযায়ী আমল করো নি।
চতুর্থ: তোমরা আল্লাহর নিয়ামত খেয়েছ কিন্তু তার শুকরিয়া আদায় করো নি।
পঞ্চম: তোমরা বলেছ যে, শয়তান তোমাদের দুশমন কিন্তু তাকে সমর্থন করেছো।
ষষ্ঠ: তোমরা স্বীকৃতি দিয়েছো যে, জান্নাত সত্য কিন্তু তার জন্য আমল করো নি।
সপ্তম: তোমরা স্বীকৃতি দিয়েছ যে, জাহান্নাম সত্য কিন্তু তা থেকে পলায়ন করো নি।
অষ্টম: তোমরা স্বীকার করেছ যে, মৃত্যু অবধারিত সত্য। কিন্তু তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করো নি।
নবম: ঘুম থেকে জেগেই তোমরা অন্যের দোষ-ত্রুটি নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছ কিন্তু নিজেদের দোষের কথা ভুলে গেছো।
দশম: তোমরা তোমাদের মৃতদের দাফন করেছো কিন্তু তাদের থেকে শিক্ষা নাও নি।
(হিলয়াতুল আওলিয়া ১৫/৮-১৬, তাফসীর কুরতুবী ২/২০৮)
হে আমাদের প্রতিপালক, করুণার আধার, তুমি আমাদেরকে তোমার মহান দরবারে প্রত্যাখ্যান করো না। আমাদের দুয়া কবুল করো এবং আমাদের ভুল-ত্রুটি মার্জনা করো। আমীন।
আমি আজ 114 টি সূরার বাংলা নাম শেয়ার করলাম।
সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আশাকরি সকলে ভালো আছেন। আমরা যারা মুসলমান তারা অবশ্যই জানি যে পবিত্র কোরআন শরীফে 114 টি সূরা আছে। আর এই সকল সুরার আরবী নাম আমারা কম বেশী জানি।
কিন্তু এই আরবী নামের বাংলা অর্থ আমরা
সবাই কি জানি? হয়ত কেউ জানি আবার কেউ জানি না, তাই যারা জানেন না তারা এখান জেনে নিন। আমি আজ 114 টি সূরার বাংলা নাম শেয়ার করলাম।
১। আল- ফাতিহা (সূচনা)
২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩। আল-ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪। নিসা (নারী)
৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬। আল-আনাম (গৃহপালিত পশু)
৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)
৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)
৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)
১০। ইউনুস (একজন নবী)
১১। হুদ (একজন নবী)
১২। ইউসুফ (একজন নবী)
১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)
১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)
১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)
১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)
১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)
১৮। আল-কাহফ (গুহা)
১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)
২০। ত্বা হা (ত্বা হা)
২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)
২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)
২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)
২৪। আন-নূর (আলো)
২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ)
২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)
২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)
২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)
২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)
৩০। আল-রুম (রোমান জাতি)
৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)
৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)
৩৩। আল-আহযাব (জোট)
৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)
৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)
৩৬। ইয়া সিন (ইয়া সিন)
৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে দাড়ানো)
৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)
৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)
৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)
৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)
৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)
৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)
৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া, smoke)
৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)
৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)
৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]
৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)
৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)
৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)
৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)
৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)
৫৩। আন-নাজম (তারা)
৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)
৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)
৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)
৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)
৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা করা হবে)
৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)
৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)
৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)
৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)
৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)
৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)
৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
৬৮। আল-ক্বলম (কলম)
৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)
৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)
৭১। নূহ (একজন নবী)
৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)
৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরু্ত্তান)
৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)
৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)
৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)
৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)
৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)
৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)
৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)
৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)
৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)
৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)
৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)
৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)
৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)
৯০। আল-বালাদ (নগর)
৯১। আশ-শামস (সূর্য)
৯২। আল-লাইল (রাত্রি)
৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)
৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)
৯৫। আত-তীন (ডুমুর)
৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)
৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)
৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)
৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)
১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)
১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)
১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা)
১০৩। আল-আসর (সময়)
১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)
১০৫। ফীল (হাতি)
১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)
১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)
১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)
১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)
১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)
১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)
ধন্যবাদ সবাইকে, ভালো থাকবেন l
কিন্তু এই আরবী নামের বাংলা অর্থ আমরা
সবাই কি জানি? হয়ত কেউ জানি আবার কেউ জানি না, তাই যারা জানেন না তারা এখান জেনে নিন। আমি আজ 114 টি সূরার বাংলা নাম শেয়ার করলাম।
১। আল- ফাতিহা (সূচনা)
২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩। আল-ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪। নিসা (নারী)
৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬। আল-আনাম (গৃহপালিত পশু)
৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)
৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)
৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)
১০। ইউনুস (একজন নবী)
১১। হুদ (একজন নবী)
১২। ইউসুফ (একজন নবী)
১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)
১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)
১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)
১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)
১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)
১৮। আল-কাহফ (গুহা)
১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)
২০। ত্বা হা (ত্বা হা)
২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)
২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)
২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)
২৪। আন-নূর (আলো)
২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ)
২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)
২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)
২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)
২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)
৩০। আল-রুম (রোমান জাতি)
৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)
৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)
৩৩। আল-আহযাব (জোট)
৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)
৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)
৩৬। ইয়া সিন (ইয়া সিন)
৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে দাড়ানো)
৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)
৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)
৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)
৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)
৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)
৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)
৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া, smoke)
৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)
৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)
৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]
৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)
৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)
৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)
৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)
৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)
৫৩। আন-নাজম (তারা)
৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)
৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)
৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)
৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)
৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা করা হবে)
৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)
৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)
৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)
৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)
৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)
৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)
৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
৬৮। আল-ক্বলম (কলম)
৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)
৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)
৭১। নূহ (একজন নবী)
৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)
৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরু্ত্তান)
৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)
৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)
৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)
৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)
৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)
৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)
৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)
৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)
৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)
৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)
৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)
৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)
৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)
৯০। আল-বালাদ (নগর)
৯১। আশ-শামস (সূর্য)
৯২। আল-লাইল (রাত্রি)
৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)
৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)
৯৫। আত-তীন (ডুমুর)
৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)
৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)
৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)
৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)
১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)
১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)
১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা)
১০৩। আল-আসর (সময়)
১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)
১০৫। ফীল (হাতি)
১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)
১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)
১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)
১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)
১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)
১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)
ধন্যবাদ সবাইকে, ভালো থাকবেন l
Tuesday, April 4, 2017
এক লোক রাতের বেলা নদীর পার ধরে হাটছিল । ইসলামি গল্প ।
এক লোক রাতের বেলা নদীর পার ধরে হাটছিল। হঠাৎ তার পা একটা পাথরের বস্তার
সাথে ধাক্কা খেল। তখন সে ঐখানে বসে বস্তা থেকে একটা একটা পাথর নিচ্ছিল আর নদীতে নিক্ষেপ
করছিল।এভাবে একটার পর একটা পাথর নদীতে ছুড়ে মারতে মারতে সে টাইম পাস করতে লাগলো। এক
সময় রাত শেষ হয়ে ফজর হতে শুরু করল এবং তার হাতের সব পাথর গুলো শেষ হয়ে এলো। যখন
সে শেষ পাথর টাছুঁড়ে মারল তখন সূর্যের আলোতে দেখতে পেল যে, সে এতক্ষন যা পাথর মনে
করে ছুড়ে মারছিল তা আসলে পাথর নয় তা ছিল হিরা! কিন্তু যতক্ষনে সে তা দেখতে
পেল তার আগেই সেই সব হিরা নদীর স্রোতে ভেসে গেছে! আসলে আমাদের জীবনের প্রতিটি
মুর্হুত, প্রতিটি দিন গল্পের মত করে আমরা আমাদের মহামূল্যবান
সময় অপচয় করে ফেলছি।নষ্ট করে ফেলছি, ছুড়ে দিচ্ছি বয়ে চলা সময়ের নদীতে। কিন্তু এমন
একটা সময় আসবে যখন মনে হবে প্রতিটি মুর্হুত কত মূল্যবান ছিল।আর তখনহয়ত আমাদের হাতে আর কোন সময় অবশিষ্ট থাকবে না, তাই সবার উচিত জীবনের প্রতিটি মুর্হুতকে মূল্য দেওয়া।।।
একটা সময় আসবে যখন মনে হবে প্রতিটি মুর্হুত কত মূল্যবান ছিল।আর তখনহয়ত আমাদের হাতে আর কোন সময় অবশিষ্ট থাকবে না, তাই সবার উচিত জীবনের প্রতিটি মুর্হুতকে মূল্য দেওয়া।।।
Subscribe to:
Comments (Atom)
বিজয় কিবোর্ড এর রেফ ও কপিরাইট সেম্বল সমস্যা ও সমাধান।
বিজয় কিবোর্ড এর রেফ ও কপিরাইট সেম্বল সমস্যা ও সমাধান। বিজয় কিবোর্ড এর রেফ ও কপিরাইট সেম্বল সমস্যা ও সমাধান . অফিস ২০১৬ তে বিজয় ৫...